Best Amazon Product – Reviewstark

NSE

Best Apple AirPods Pro

About this item
Active noise cancellation for immersive sound
Transparency mode for hearing and connecting with the world around you
Three sizes of soft, tapered silicone tips for a customizable fit
Sweat and water resistant
Adaptive EQ automatically tunes music to the shape of your ear
Easy setup for all your Apple devices
Quick access to Siri by saying “Hey Siri”
The Wireless Charging Case delivers more than 24 hours of battery life

Who should buy Apple AirPods Pro?

Apple iPhone users who want genuine wireless earbuds will get the most out of AirPods Pro and for them: these are the best genuine wireless earbuds for the latest generation of iPhones.
True wireless enthusiasts will like them, mostly because the options to cancel active noise in this type of gadget are rare, unless you choose models from Beats, Sony or Huawei.
Jim rats and cardio monsters will be grateful that, in fact you stay in your own ears know here is a big plus of sweat-resistance.

best apple airpods pro

Apple AirPods Pro Review

It’s been rumored for a while, but the AirPods Pro are finally here. It has a new design, new features & new qualityful price tag! The Airpods Pro have two tiny microphones both on the inside and on the outside. It has better sound quality. It’s easy to carry.
Price: 
Dimensions:
Case:
Weight:
Model Number:
Waterproof:
Brand Apple
Color White
Connectivity Technology Wireless
Model Name Apple AirPods Pro
Form Factor In Ear

RATING
SG
USERS
Sound Quality – 9.2 – 7.2
Isolation/Attenuation  – 4.6 – 7.1
Durability/Build Quality – 7.0 – 7.4
Value – 6.5 – 6.3
Design – 6.5 – 7.1
Microphone – 9.57.0
Portability – 9.5 – 7.9
Battery life – 5.7 – 6.7
comfort – 8.0 – 7.3

How To Make Money Online

If you have a website with good visitors, then you can earn good income through Google AdSense.

If you have a good YouTube channel, you can earn good income from it and you can get a good earning source from your YouTube videos by linking to your affiliate which will be a good source of income for you.

If you can do a good job at WordPress then you will always get good clients for new websites through which you will earn good money. The better your performance here, the better your income will be. So don’t delay, subscribe to our YouTube to learn the workings of e-WordPress today and improve your skills by watching videos. The more skilled you are at work, the more your client’s income will increase. Click on our YouTube channel.

There are also product sell. With the help of Facebook page, you can now sell any type of product in any part of the country. Redux has delivery from one end of the country to the other without any worries. We have come a long way now through online. Money can be earned sitting at home now, why would you sit at different places. You don’t need a training center, open YouTube, watch videos, start to increase your skills, start earning income online from home. Keep subscribing to get various training videos online thanks to our channel.

যদি আপনার একটি ভালো ভিজিটর সম্পন্ন ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপ্নে গুগল এডসেন্সের এর মাদ্ধমে ভালো ইনকাম করতে পারবেন।

আপনার একটি ভালো ইউটিউব চ্যানেল থাকলে সেটার মধ্যেও ভালো ইনকাম করতে পারবেন গুগল থেকে এবং আপনার ইউটউব এর ভিডিও গুলোর মধ্যে আপনার এফিলিয়াতে লিংক দিয়ে সেখান থেকে ভালো এক টি আর্নিং সোর্স করতে পারেন যেটা আপনার জন্যে অনেক ভালো আয়ের উৎস হয়ে উঠবে।

আপনি যদি অর্ডপ্রেস এ ভালো কাজ পারেন তাহলে নিত্য নতুন ওয়েবসাইট এর জন্যে ভালো ভালো ক্লায়েন্ট পাবেন যাদের মাদ্ধমে আপনার ভালো টাকা ইনকাম হবে। এখানে আপনার পার্ফমেন্স যত ভালো হবে আপ্নে ততই ভালো ইনকাম করতে থাকবেন। তো দেরি না করে আজ ই ওয়ার্ডপ্রেস এর কাজ শিখতে আমাদের ইউটুবেই সাবস্ক্রাইব করে রাখুন এবং ভিডিও গুলো দেখে আপনার স্কিল বাড়ান। কাজে আপ্নে যত পারদর্শী হবেন ততই আপনার ক্লায়েন্ট ও বাড়বে ইনকাম ও বাড়বে। আমাদের ইউটুবে চ্যানেল ক্লিককরুন।

এছাড়াও রয়েছে প্রোডাক্ট সেল। ফেসবুক পেজ এর মাদ্ধমে আপ্নে এখন যেকোনো ধরণের প্রোডাক্ট সেল করতে পারবেন দেশের যেকোনো প্রান্তে সাথে তো রেডক্স আছেই কোনো দুশ্চিন্তা ছাড়াই ডেলিভারি দেশের ১ প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। অনলাইন এর মাদ্ধমে আমরা এখন অনেক এগিয়ে গিয়েছি। টাকা তো এখন ঘরে বসেই কামানো যায় বিভিন্ন ওই তে আপ্নে কেন বসে থাকবেন। ট্রেনিং সেন্টার লাগবেনা ইউটুব খুলুন ভিডিও দেখুন স্কিল বাড়ান শুরু করুন ঘরে বসেই অনলাইন ইনকাম। অনলাইন বিভিন্ন ট্রেনিং ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের চ্যানেল টি তে ধন্যবাদ।

Pregnant Mother’s Horlicks

  • মা হওয়ার এই আনন্দ মুখর যাত্রায় আপনার সুস্থ গর্ভাবস্থা ও বাচ্চার সুসাস্থর জন্য মাদার্স হরলিক্স কে পার্টনার হিসেবে বেছে নিন। এক দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্বস্ত মাদার্স হরলিক্স এমন ভাবে তৈরী যা গর্ভকালীন ও স্তন্যদানকালীণ সময়ে বিশেষ পুষ্টি সরবরাহ করে।
 
  • মাদার হরলিক্স এর ফ্রেশনেস অটুট রাখতে ভিতরের রিফিল প্যাক টি বিশেষ ভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি যাতে ফ্রেশ থাকে সেজন্যে রিফিল প্যাক খোলার পর যত দ্রুত সম্ভব কোনো বায়ুনিরোধক কন্টেইনারে ঢেলে রাখুন।
  • ২০০ মিলিমিটার গরম বা ঠান্ডা পানি অথবা দুধ নিন। পরিপূর্ণ তিন চা-চামচ (২৫ গ্রাম) মাদার্স হরলিক্স মিশান।
  • ভালোভাবে মেশানোর জন্য নাড়তে থাকুন। প্রয়োজন মতো চিনি মেশাতে পারেন।
  • প্রোটিন যা জন্মকালীন স্বাস্থকর ওজন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। কোলিন যা ব্রেন ডেভলপমেন্ট এ সাহায্য করে।
প্রতিদিন তিনবার, প্রতিবার ২৫ গ্রাম করে।

মাদার হরলিক্স একটি পুষ্টিকর পানীয় যা রোজকার খাবারের পাশাপাশি খাওয়া যেতে পারে।

উপাদানসমূহ:

মিল্ক সলিডস (ল্যাকটোজ সহ), হাইড্রোলাইজ্ড কর্ন সলিডস, সিরিয়াল এক্সট্র্যাক্ট, মিনারেলস,নেচার, আইডেন্টিকাল ফ্লেভার, ভিটামিনস, এডিবল ভেজিটেবল অয়েল, ন্যাচারাল ফ্লেভার, ন্যাচারাল কালার [আই এন এস ১০০ (i)]।

উপকারিতা:

✓ শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সাহায্য করে। 

✓ শিশুর বেড়ে ওঠায় সাহায্য করে।

✓ শিশুর দেহে শক্তি যোগায়।

✓ শিশুর হাড় এবং দাঁত গঠনে সাহায্য করে।

✓ রোগ প্রতিরোধে ও এন্টিঅক্সিডেন্ট ফাংশানে সাহায্য করে।

✓ খাদ্য থেকে শক্তি নিঃস্বরণে সাহায্য করে।

✓ স্বাভাবিক রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

✓ ইলেক্ট্রোলাইট এর ব্যালান্স বজায় রাখে।

Customer Rating 3.6
3.6/5
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on google
Share on pinterest
Share on reddit
Share on vk
Share on odnoklassniki
Share on tumblr
Share on digg
Share on skype
Share on stumbleupon
Share on mix
Share on telegram
Share on pocket
Share on xing
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

সন্তানদের জন্য বিয়েকে সহজ করে দেয়া প্রত্যেক পিতামাতার জন্য ইবাদত স্বরূপ

“সন্তানদের জন্য বিয়েকে সহজ করে দেয়া প্রত্যেক পিতামাতার জন্য ইবাদাত স্বরূপ। আর তাদের জন্য বিয়েকে কঠিন করে ফেলা একটি পাপ, যা অন্যান্য আরও অনেক পাপের জন্ম দেয়।”
— মুফতি ইসমাইল মেঙ্ক।
এই পাপের হিসাব পিতামাতা কেও দিতে হবে।
আহ আফসোস! আজও পিতামাতাদের ছেলেরা ইনকাম করেনা বলে,
তাদের বিয়েকে কঠিন করে ফেলা হচ্ছে!
অথচ আল্লাহ বলেন,
তোমরা বিয়েকে সহজ করে দাও।বিয়ে করলে রিজিক বাড়ে।আর রিজিক তো কেবল আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেই আসে।
তাই বিয়েকে সহজ করুন। আর না করলে তৈরি থাকুন, এই সন্তান ই কেয়ামতের ময়দানে আপনার নামে নালিশ করবে।
কখনো ভেবে দেখেছেন কি? রুহের জগতে বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন বলে কোন সম্পর্ক ছিলো না। প্রতিটি রুহ-ই আলাদা।
 
আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) জান্নাতে ১ম মানুষ আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করেছেন। তারপর সৃষ্টি করলেন হাওয়া (আঃ) কে। এবং বিয়ে দিলেন তাঁদের দুজনকে। সৃষ্টির সর্ব প্রথম পবিত্র সম্পর্ক স্বামী_স্ত্রী।
 
কখনো ভেবে দেখেছেন কি? দুনিয়াতে আমরা নানা রকমের সম্পর্ক মেইনটেইন করি। আমাদের সম্পর্ক গুলোতেও অনেক আবেগ ও ভালোবাসা কাজ করে। তারপরও একসময় আলাদা হতে হয়। ছোট বেলার মতো করে ভাই-বোনরা একসাথে থাকা হয়না। বাবা-মায়ের সাথেও থাকা হয়না সারাজীবন। যার যার নিজের নতুন পরিবার তৈরী হয়। তৈরী হয় সেই ❝স্বামী-স্ত্রীর❞ সম্পর্ক।
 
কখনো ভেবে দেখেছেন কি? যদিও জান্নাতে বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজনদের সাথে আমাদের দেখা হবে, কথা হবে (যারা যারা জান্নাতে যেতে পারবো)। কিন্তু সেখানেও যে সম্পর্কটি হবে সবার জন্য চিরস্থায়ী, তা হলো ❝স্বামী-স্ত্রীর❞ পবিত্র সম্পর্ক।
 
কখনো ভেবে দেখেছেন কি? ❝স্বামী-স্ত্রীর❞ এই সুন্দর পবিত্র সম্পর্ক জান্নাত থেকেই শুরু হয়েছে, দুনিয়াতেও কিছু কালের জন্য দেয়া হয়েছে। আবার জান্নাতে গিয়েও অন্ততকালের জন্য এই সম্পর্ক থাকবে।
 
অথচ দুনিয়াতে থাকতে আমরা এই পবিত্র-সুন্দর ❝স্বামী-স্ত্রীর❞ সম্পর্কটিকে কতটা-ই না মূল্যহীন, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করি। শয়তানের ওয়াসওয়াসায়, দুনিয়ার ধোকায়, চাকচিক্যে এই সম্পর্ককে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যাই না। একজন আরেকজনকে ধোকা দেই। যার যে দায়িত্ব পালন করার কথা ছিলো, তা ঠিকভাবে পালন করিনা।
 
আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) আমাদেরকে কি হুকুম দিয়েছেন এবং নবীজি (ﷺ) এই ব্যাপারে কি বলেছেন, আসুন আমরা জানার চেষ্টা করি এবং সেভাবে দুনিয়ায় এই পবিত্র সম্পর্কের হাক্ব আদায় করি। ইন-শা~আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি ও কামিয়াবী হাসিল হবে।
 
আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেছেনঃ ❝তারা (স্ত্রীরা) তোমাদের জন্য পোশাক আর তোমরা (স্বামীরা) তাদের জন্য পোশাক।❞
সূরা_বাক্বরঃ ১৮৭ আল_কুরআন
 
নবীজি (ﷺ) বলেছেনঃ ❝তোমাদের মাঝে সেই ব্যাক্তি উত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।❞
 
নবীজি (ﷺ) আরো বলেছেনঃ ❝কোন মহিলা যদি এমন অবস্থায় মারা যায় যে, তার স্বামী তার উপর সন্তুষ্ট, তাহলে সেই মহিলা জান্নাতী।❞
 
.সংগৃহীত
একদল যুবক যখন তাদের ঈমান বাঁচানোর জন্য বিয়ে করতে মরিয়া, তখন কিছু মানুষ তাদেরকে নিয়ে ঠাট্টা করে,
ছেলে ভালো চাকুরী করে না, সারাদিন ঘরে বসে থাকে, খায় দায় আর ঘুমায়, ও বিয়ে করে করবে টা কি? ওর কাছে কে মেয়ে দিবে?
কিন্তু ছেলেটা জানে এই দুনিয়ার ফিৎনা তাকে এমন ভাবে চেপে ধরেছে যে সে ঘর থেকেও বের হতে ভঁয় পায়। সে বের হলেই তো দেখতে পাবে একটা ছেলে একটা মেয়ে হাত ধরে দিব্বি ঘুরে বেড়াচ্ছে। রেস্টুেন্টগুলোতে তাকিয়ে দেখো ! ! ! পার্ক গুলোর দিকে চোখ বুলিয়ে দেখো, সব জায়গা দখল করে আছে ভালোবাসা নামক সেই অবৈধ সম্পর্ক গুলো।
𝌆 রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
◉ আমার পর আমি পুরুষের জন্য নারীর ফেতনার চেয়ে অধিক ক্ষতিকারক কোনো ফিতনা রেখে যাইনি।
(বুখারী, ৫০৯৬ ; মুসলিম, ২৭৪০)
𝌆 অন্যত্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
◉ বান্দা যখন বিবাহ করে, তখন সে তার অর্ধেক ঈমান (দ্বীন) পূর্ণ করে। অতএব বাকী অর্ধেকাংশে সে য যেনো আল্লাহকে ভয় করে।
(সহীহ আল-জামিউস সাগীর ওয়া যিয়াদাতুহ হা/৬১৪৮)
আল্লাহ ভীরু বান্দাগুলো দুনিয়ার এই ফিৎনা থেকে বাঁচার জন্য মন কে স্থির করে বলে, বাবা-মা আমি বিয়ে করতে চাই। তারা গুনাহ থেকে বাঁচার জন্যই বিয়ে করতে চায়, নিজের লালসা পূরণ করার জন্য নয়। কারণ তারা এই দুনিয়া থেকে আল্লাহকে বেশি ভালোবেসে ফেলেছে।
তারা হারাম প্রেম এর উপর বিয়েকে বেশি অগ্রাধিকার দেয়। তাই তারা আজ সমাজের চোখে অপরাধী।
ভালোবাসার এক অবাধ আকাশ নিয়ে ঘুরতেন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। হৃদয়ের নড়াচড়া এত নিবিড়ভাবে বুঝতেন যে, মন তাঁর প্রতি মুগ্ধ হয়ে যায়।
নবুয়তের সুমহান দায়িত্ব পালনকারী এক সনিষ্ঠ নবী হয়েও তিনি ছিলেন একজন প্রেমময় স্বামী। তাঁর অনুপম জীবনে তিনি রেখে গেছেন স্বামীচরিত্রের অপূর্ব মাধুরী। তাঁর ছিলো একাধিক বিয়ে। নানান বিবেচনায় ও দরকারে এসব বিয়ের প্রয়োজন ছিলো। তিনি ছিলেন আল্লাহর রাসূল। অন্যান্য আর-সব কাজের মতোই আল্লাহর হুকুমেই তিনি একাধিক বিয়ে করেছিলেন। একাধিক বিয়ে হলেও স্ত্রীদের প্রতি ছিলো তাঁর সুসম সদয় মমতাপূর্ণ আচরণ। একের অধিকতা তাঁর মনকে কখনো অনুদার করতে পারেনি; সমতার ব্যাপারে তিনি যে দৃষ্টান্ত তাঁর সংসার-জীবনে দেখিয়ে গেছেন, পৃথিবীর ইতিহাসে তা অনুকরণীয় সংসারধর্ম।
সকল স্ত্রীগণই মনে-প্রাণে তাঁকে চাইতেন। দুনিয়ার আর-সব নারীর মতো তাঁদেরও ছিলো স্বামীর প্রতি অভাব-অভিযোগ, রাগ-অনুরাগ আর মান-অভিমানের পালা। নবী বলে কোনো রাশভারী রূপ নিয়ে তিনি প্রকাশ হতেন না স্ত্রীদের সামনে। প্রেমের এক অবিরল বিচ্ছুরণ নিয়ে তিনি মোহিত করতেন আপন স্ত্রীদেরকে। তাঁরও ছিলো স্ত্রীদের প্রতি রাগ-অনুরাগ ও মান-অভিমান।
নবুয়তের গুরুভার তাঁর সংসার-জীবনকে বিঘ্নিত করতে পারতো না। তিনি ছিলেন এমনই এক মোহময় সত্তা, স্ত্রীরা প্রহর গুণে তাঁর অপেক্ষায় থাকতেন। তাঁর ভালোবাসার ভাগ নিয়ে হতো মধুর-বিধুর ঝগড়া-বচসাও; কিন্তু এসব ঝগড়া-বচসার কিছুই তাঁদের একে-অপরকে শত্রু করে তুলতো না। যাঁকে নিয়ে তাঁদের এই মধুর-বিধুর মান-অভিমান, তাঁর ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকতো। আবার সময়ের স্রোতে এসব মান-অভিমান ধুয়েও যেতো। সকলেই অপেক্ষা করতেন–কখন আসবেন তাঁর প্রেমময় স্বামী…।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলতেন, ‘পৃথিবীর নিয়মে তোমাদের সূর্য ওঠে সকালবেলা, কিন্তু আমার ঘরে সূর্য ওঠে এশার পরে।’ রাসূলের ঘরে আসাকে তিনি ভোরের সূর্যের মতো তন্ময় আর আনন্দঘোর ব্যাপারের সাথে উপমা দিয়ে রাসূলের প্রতি তাঁর নিখাদ অকৃত্রিম ভালোবাসাকেই বুঝিয়েছিলেন, আর উপলব্ধি দিয়েছিলেন আমাদেরকে যে, কতটা প্রেমপ্রগাঢ় স্বামী ছিলেন রাসূলে আরাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
স্ত্রীদের প্রতি তাঁর সমতার আচরণ ছিলো অভূতপূর্ব। তিনি একেক দিন একেক স্ত্রীর ঘরে রাত কাটাতেন। কিন্তু প্রতিদিন একবার করে খোঁজ নিতেন সকল স্ত্রীরই। কখনো কোনো ব্যস্ততায় এর ব্যত্যয় ঘটলে ছিলো আরেক রীতির বাস্তবায়ন। সে রাতে যে স্ত্রীর ঘরে তাঁর রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা হতো, সেখানেই উম্মাহাতুল মুমিনীন একত্র হতেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের সাথে সংসারী আলাপে মেতে উঠতেন।
নবুয়ত ও রিসালাতের গুরুভারে তাঁকে আড়ষ্ট কেউ বলে কখনোই ভ্রমও হতো না তাঁর স্ত্রীদের। সকল বিষয়েই ছিলো তাঁর আশ্চর্য এক পরিমিতির সমবায়। গুরুভারি বিষয়কেও ন্যায্যতার পাল্লায় ফেলে তাতে তিনি নিয়ে আসতেন সমন্বয়তার আশ্চর্য নন্দন রূপ। এত সবের মাঝেও তিনি বুঝিয়ে দিতেন স্ত্রীদেরকে, তিনি তাঁদের কত করে বোঝেন।
একবারের ঘটনা। রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে ডাকলেন। বললেন, ‘জানো আয়েশা, তুমি কখন আমার উপর রাগ করে থাকো, তা আমি বুঝতে পারি।’ আয়েশা তো অবাক। জিজ্ঞাসা, কৌতূহল আর আসলেই রাসূল কতটুকু খেয়াল করেন তাঁকে, এমন এক প্রশ্নমুখে তাকালেন তিনি রাসূলের দিকে; বললেন, ‘বলুন শুনি, কখন?’ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘যখন তুমি আমার উপর খুশি থাকো, তখন বলো, হে মুহাম্মদের প্রতিপালক; আর রেগে থাকলে বলো, হে ইবরাহিমের প্রতিপালক।’ আয়েশা দেখলেন, রাসূল তো ঠিকই বলেছেন। শুনে মন তাঁর ভীষণ খুশি হয়ে উঠলো। বুঝি ভাবলেন, কী অকৃত্রিম প্রেমময় স্বামী তাঁর—নবুয়তের এত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিয়েও তিনি কত খেয়াল রাখেন স্ত্রীর খুশি-অখুশির; পইপই করে জানেন, কখন স্ত্রী রেগে আছে, আর কখন স্ত্রী খুশি। খুবই খুশি লাগলো আয়েশা রা.-এর। তিনি বললেন, ‘আপনি ঠিকই বলেছেন।’ এমন ভালোবাসার দেখভালের জবাবে একটি কথা বলতে কিছুতেই ভুললেন না বুদ্ধিমতী ও প্রেমময়ী রাসূলসঙ্গিনী আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা। তিনি বললেন, ‘মুখেই আমি আপনাকে ত্যাগ করি, কিন্তু আমার অন্তরে আপনি সবসময়ই থাকেন।’
এমন অজস্র ভালোবাসার ঘটনায় পূর্ণ হয়ে আছে রাসূলের দাম্পত্য-জীবন, যেসব ঘটনার প্রতিটিই আলাদা করে বলে দেয়, তিনি ছিলেন এক প্রেমময়ী স্বামী…।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
ঘটনাসূত্র : সহীহ মুসলিম।
▪কেমন ছিলেন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-০১
প্রিয় জিবনসঙ্গী,
মনে পড়ে কি আমায়?পড়ন্ত বিকেলে সবাই যখন নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত, তখন মনে পড়ে কি আমায়?
আমি তো তখন তোমাকে নিয়েই ভাবি,সেই মেঘাচ্ছন্ন আকাশে আমার রব কে তোমার কথাই বলি,যাতে আমার রব পরিপূর্ণ হেদায়েত দিয়ে তোমাকে আমার কাছে পাঠায়।
জানো কি তুমি?সব প্রসাধনী রেখে দিয়েছি যত্ন করে,সেদিনই এসব দিয়ে নিজেকে পরিপূর্ণ করবো যেদিন তুমি পাশে থাকবে।এখন আমি খুব সাদামাটাই থাকি।কারন আমার সৌর্ন্দয্য তো তোমার জন্যই আমানত করে রেখেছি।
কি করি শুনবে তুমি?বারান্দার ঠান্ডা বাতাসে যখনই নিজেকে শীতল করতে যাই,তখনই পাশের বাড়ির যুবকদের দেখে চোখ নামিয়ে নেই,চলে আসি তখনই। শীতল হওয়া হয় না যে আর।কারন আমি যে তোমার জন্য আমানত।খিয়ানত কিভাবে করি বলো?আচ্ছা তুমিও কি এভাবে আমার জন্য চোখ সরিয়ে নাও?জানতে ইচ্ছা হয় খুব।
এরপর?যখনই নামে মাত্র কোন দ্বীনদার মেসেজ করে,তখন আমি এসব লোক দের মাঝে তোমাকে খুজে বেড়াই না,সুন্দরভাবে এড়িয়ে চলি,কারন তুমি তো আমার জিবনে রহমত সরুপ আসবে,নামে মাত্র মুসলিম হবে না।প্রকৃত দ্বীনদার তো কোন গায়রে মাহরাম এর ধারে কাছেও ঘেষবে না,মেসেজ তো দুরে থাক, তাই না?
তোমার কাছে খুব বেশি চাহিদা নেই আমার,শুধু আল্লাহ তা’লার জন্য নিজেকে তৈরী করে এসো,রবের রহমত নিয়ে আমার জিবনে এসো।এরপর দুজনেই রবের পথে একসাথে হাটবো,যেই পথ শেষ হবে চিরস্থায়ী জান্নাতে।
এইতো। নিজেকে হেফাজতে রাখিও শুধুই আমার জন্য, যতদিন না তাকদির আমাদের এক করে।
বিয়ের পর আপনার মায়ের সাথে এমন আচরণ করুন, যাতে মা মনে করেন বিয়ের পরে আমার ছেলে পাল্টে যায়নি। সে আমাকে ভুলে যায়নি।
মনে রাখবেন মা আপনাকে গর্ভধারণ করেছেন। লালন-পালন করেছেন। তার চোখের সামনে নিজের ছেলে অন্য কারও হয়ে যাবে, এটা মেনে নিতে মায়ের অনেক কষ্ট হয়।
এজন্য মাকে মায়ের মত রাখুন। বউকে বউয়ের মত রাখুন। আপনার জীবন সুখে, শান্তিতে ভরে উঠবে ইনশাআল্লাহ।
‘এখানে কিছু লাইন চিন্তা শক্তির খোরাক জোগায়! আরটিকেল টা পড়েই ফেলুন না।
সময়ের সাথে সাথে বিয়ের অনুষ্ঠানের পরিবর্তনও হয়েছে, অনুষ্ঠানের রকমও বেড়ে গেছে। ব্রাইডাল শাওয়ার, মেহেদি, হলুদ, মূল অনুষ্ঠান ইত্যাদি একের পর এক চলতে থাকে।
আগের দিনে বিয়ের কনে চুপচাপ বসে থাকতো। এখন বিয়েতে কনেই ডিজে পার্টিতে লাফায়, হলুদের শাড়ি পরে হিন্দি গানের তালে তালে নাচতে থাকে। এসব ছবি, ভিডিও আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেই শেয়ার করে।
ছেলে পক্ষের দিকেও একই অবস্থা।
গান, নাচ, ডিজে পার্টি, প্রি ওয়েডিং, ওয়েডিং ও পোস্ট ওয়েডিং বিভিন্ন ফটোশ্যুট ছাড়া আজকাল বিয়ে কল্পনাই করা যায় না।
💢 এবার একটা বিষয় কল্পনা করুন। 💢
জোহরের আযান দিল। কেউ নামাজ শুরু করল। কানে হেডফোন, উচ্চবিটের মিউজিক বাজছে। গান শুনছেন, আর গানের তালে তালে রুকু সিজদা দিয়ে নামাজ পরছেন।
কেমন হবে ব্যাপারটা?
আসলে কেউ এটা কখনোই করবেন না। কারণ, সবাই জানেন নামাজ একটা ইবাদত, যা আদায় করতে আল্লাহ আদেশ দিয়েছেন আমাদের।
নামাজের মত বিয়েও একটা ইবাদত। আল্লাহ বলেন,
“তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ”। (সূরা নূর: ৩২)
বিয়ে যদি আল্লাহর নির্দেশ ও ইবাদত না হত, কেউ আর বিয়ে করত না। সবাই লিভ টুগেদার বা কো-হ্যাবিটেশন করত। কিংবা যখন যার সাথে ইচ্ছে থাকতো।
শুধু ইসলাম না, সকল ধর্মেই বিয়ে তাদের ধর্মীয় বিধানের অংশ।
ইবাদতকে ইবাদতের মত পালন করতে হয়। কিন্তু সেদিক না গিয়ে আমরা এটাকে উল্টোভাবে পালন করছি।
মেয়ের দেনমোহর পরিশোধ না করে উল্টো মেয়ের পরিবারের কাছে থেকে যৌতুক দাবী করছি।
যারা যৌতুক দাবী করেনা, তারাও মনে মনে আশা পোষণ করে থাকে মেয়ের পরিবার নিজে থেকে গহণা, ফার্নিচার, গিফট দিবে। না দিলে মন খারাপ করে, মেয়ের সাথে খারাপ ব্যবহারও করে।
বিয়ের ওয়ালিমা বা ভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করার দায়িত্ব ছেলে পক্ষের একার। মেয়ের পরিবারের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটা ঐচ্ছিক। অথচ উল্টো মেয়ের বাড়িতে অর্ধ হাজার লোক না নিয়ে গেলে ছেলে পক্ষের মান সম্মান থাকে না।
💢 পুরুষদের জন্য স্বর্ণালংকার হারাম। অথচ যে ছেলেটি সারাজীবনে কখনো আংটি পরে নি, সেই ছেলেও বিয়ের সময় সোনার আংটি পরে থাকে। সোনার আংটি দিয়ে বরকে বরণ না করলে ছেলের পরিবার যেমন অসন্তুষ্ট হয়, মেয়ের পরিবারেরও মান সম্মান নাকি থাকে না।
💢 স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক হবে সম্পুর্ন ব্যক্তিগত। অথচ বিভিন্ন ফটোশ্যূটের নামে সবার কাছে আমরা নিজেরাই তা উন্মুক্ত করে দিচ্ছি।
বাকি জীবন একসাথে থাকার প্ল্যান করেই দাম্পত্য জীবন শুরু করা হয়। এই কাজে আল্লাহর রহমত একান্ত জরুরী।
✅ বিয়ে যতটা না একটা সামাজিক অনুষ্ঠান, তার চেয়ে বেশি এটা ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এটা একটা ইবাদত। ইবাদতকে ইবাদতের মত না পালন করলে, সেটার কোন গুরুত্ব থাকে না। এদিক আমাদের সবার একটু চিন্তা করা উচিত।
বৈবাহিক সম্পর্ক আর বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের মধ্যে পার্থক্য
বৈবাহিক সম্পর্ক আর বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের মধ্যে পার্থক্য হলো— প্রথমটিতে সামাজিক কমিটমেন্ট, সাক্ষ্য-প্রমাণ ইত্যাদি থাকে; দ্বিতীয়টিতে এসব থাকে না। যার কারণে বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্যে যে জবাবদিহিতা থাকে, বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে তা থাকে না। ফলশ্রুতিতে বৈবাহিক সম্পর্কে প্রতারণার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে, বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে যা অহরহ হয়ে থাকে। এছাড়াও বৈবাহিক সম্পর্কে যতটা নির্মল ও সত্যিকারের ভালোবাসা থাকে, বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে ততটা থাকে না। বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে ভালোবাসার খোলসে ভোগটাই মুখ্য থাকে। ব্যতিক্রম খুবই কম।
বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলা হয় যে, বিবাহের আগে একটু-আধটু জানাশোনা থাকলে ও গেট টু গেদার হলে বিবাহ-পরবর্তী বোঝাপড়া ভালো হয়, সম্পর্কটা ভালো হয়। এ যুক্তির বিপরীতে বিনয়ের সাথে প্রশ্ন রাখতে চাই, তথাকথিত গেট টু গেদার ছাড়া সরাসরি বিবাহ করা আগের জেনারেশন অর্থাৎ আমাদের বাপ-চাচাদের দাম্পত্য-জীবনে পারস্পরিক বোঝাপড়া ভালো ছিল, নাকি আজকের গেট টু গেদার প্রজন্মের? তাদের ভালোবাসা নিখাদ ছিল, নাকি আমাদের? তাদের সম্পর্ক বেশি টেকসই ছিল, নাকি আজকের জেনারেশনের?
সুতরাং প্রিয় যুবসমাজ, দৃঢ়তার সাথে হারামকে না বলুন। হালাল সম্পর্কের জন্য অপেক্ষা করুন। শয়তানের ফাঁদে পা না দিয়ে মহান আল্লাহর নির্দেশিত পথে থাকুন। জোয়ারে গা না ভাসিয়ে স্রোতের বিপরীতে চলতে শিখুন।
শাইখ আহমাদুল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ

দাম্পত্য জীবন যেভাবে মধুর হয়
(হযরত মাওলানা কাজী মু‘তাসিম বিল্লাহ রাহ.-এর মুহতারামা সহধর্মিণীর সাক্ষাৎকার)
প্রশ্ন:১
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্ক কেমন হলে সংসারে সুখ-শান্তি প্রতিষ্ঠিত হতে পারে? দাম্পত্য জীবন হতে পারে মধুর!
■■ স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক কীরূপ হওয়া উচিত, তোমরা কুরআন হাদীস পড়ে আমার চেয়ে ভালো জেনেছো। এ ক্ষেত্রে আমি যা বুঝি..
ক. স্বামী-স্ত্রী একে অপরের জন্য শোভাস্বরূপ। একে অপরের মুখাপেক্ষী। একান্তই মুখাপেক্ষী। এটা শুধু দৈহিক প্রয়োজন পূরণের জন্যেই নয়। সাহায্য-সহযোগিতার প্রয়োজনে স্ত্রী তার স্বামীর, আর স্বামী তার স্ত্রীর মুখাপেক্ষী হয়। স্বামী অসুস্থ হলে স্ত্রীর চেয়ে বেশী খেদমত কেউ করতে পারে না। তাই তো আশি বছরের বুড়োও স্ত্রী মারা গেলে আবার বিয়ে করতে চায়।
খ. স্বামীকে আনন্দিত ও প্রফুল্ল রাখার দায়িত্ব তার স্ত্রীর। স্বামী বেচারা বাহিরের কাজ করে ঘরে আসে স্ত্রীর কাছে প্রশান্তি লাভের জন্য। তাই প্রিয়তম স্বামীর মেজায বুঝে ঘরে প্রবেশের পুর্বেই স্ত্রী প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুত করে রাখবে। ঘরের কোনো কাজ অসম্পূর্ণ না রাখা। যতক্ষণ স্বামী ঘরে থাকবেন, ছায়ার মতো তাকে সঙ্গ দেওয়া। যাবতীয় প্রয়োজনে এগিয়ে আসা।
গ. স্বামীকে ছাড়া একাকী বাপের বাড়িতে আনন্দ করতে অভ্যস্ত না হওয়া। আবার স্বামীর সুবিধা মতো চলে আসতে আপত্তি না তোলা। একান্তই মাতা-পিতাকে দেখতে মন চাইলে দু’জনেই যাবে। স্বামী ছাড়া স্ত্রীর আনন্দ তো পূর্ণ হওয়ার মতো নয়।
ঘ. স্বামীর ইশারায় কাজে অভ্যস্ত হওয়া। তাহলে স্বামীও মন উজাড় করে প্রিয়তমাকে মুহাব্বত করবে, ভালবাসবে। আসলে স্ত্রীর গুণেই সংসার সুখের হয়। অনেক সময় স্ত্রীই সংসার ধ্বংসের কারণ হয়।
ঙ. স্বামীর সম্পদে স্ত্রীর মিতব্যয়ী হওয়া উচিত। তার অনুমতি ছাড়া সম্পদে হাত না দেওয়া। পর্দার ব্যাপারে যত্নবান হওয়া।
চ. স্বামীর সাথে কথায় কথায় ঝগড়া করবে না। বর্তমান সময়ের বহু মেয়ে বড় নির্লজ্জ ও বেহায়া। স্বামীর সাথে কথায় কথায় ঝগড়া করে। মুখের উপর তর্ক করে। স্বামী রেগে কিছু বকা-ঝকা করলেও তো তার চুপ থাকা উচিত। মেজায ঠান্ডা হলে প্রকৃত ব্যাপারটি স্পষ্ট করবে।
আগেকার মহিলাগণ গরীব ও কম শিক্ষিত হলেও আদব কায়েদা যথেষ্ট ছিল। ঝগড়া-ফাসাদ তো দূরের কথা, প্রসঙ্গক্রমেও স্বামীর নাম ধরে ডাকতে ইতস্তত করত। নিরবে অশ্রু বিসর্জন দিতো, সহ্য করত কিন্তু স্বামীর নামে অভিযোগ করাই বুঝতো না। করার প্রয়োজনও মনে করতো না।
ছ. স্বামীর কাছে অযথা অথবা অসঙ্গত বাহানা না করা। এটা দাও, ওটা দাও। এখানে নিয়ে যাও, ঐখানে নিয়ে যাও ইত্যাদি বাহানা। এসব অসঙ্গত অবুঝের।
জ. অপরদিকে স্বামী স্ত্রীর প্রতি জুলুম করবে না। সুযোগ হলে, সম্ভব হলে স্ত্রীর সকল বৈধ আবদার পুরো করবে। কোনো পুরুষই অন্তর থেকে এটা চায় না যে, তার স্ত্রী-সন্তÍান কষ্ট করুক।
আলহামদু লিল্লাহ, তোমার হুযুরের সাথে আমার কখনো বড় ধরনের ঝগড়া-ফাসাদ হয়নি। সন্তানদের পড়া-লেখার বিষয়ে কখনো বকা-ঝকা করেছেন। তখন চোখ তুলে তাকানো তো দূরের কথা, সামনে দাঁড়ানোরই সাহস পেতাম না। তিনিও অত্যধিক মুহাব্বত করতেন। তাঁর আন্তরিক মুহাব্বত ও ভালবাসা আমাদের সংসারকে টিকিয়ে রেখেছে। নইলে এ সংসার করা আমার জন্য কষ্টের হয়ে যেত।
আমি ছিলাম আদরের দুলালি, ননির পুতুল। দালান-কোঠায় থেকেছি, গোশত- পোলাও খেয়েছি, আনন্দে-আহ্লাদে বেড়ে উঠেছি। ছাদহীন কুঁড়ে ঘরে থাকি কী করে? গোশত-পোলাও-এর পরিবর্তে ভাত-ভর্তাও জুটতো না অনেক সময়। সিদ্ধ কদু, তাই ভরতে হত জঠরে।
লোকটির হৃদয় ছিল মুহাব্বতে ভরপুর। দেহটি ছিল ইলমে ওহীর সাজে সজ্জিত। তার আখলাক-চরিত্রে আমি ছিলাম পূর্ণ মুগ্ধ। তাই দরিদ্রতার মাঝেও অনাবিল শান্তি অনুভব করেছি। আসলে স্ত্রীর জন্যে স্বামীর আদর সোহাগের মাঝেই রয়েছে একমাত্র প্রশান্তি। হযরত খাদিজাতুল কুবরা রা. অঢেল ধন-সম্পদের অধিকারী ছিলেন। স্বামী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আদর ¯স্নেহে ও তাঁর মুহাব্বত তাকে সম্পদের মায়া ছাড়তে বাধ্য করেছে।
(পাঠকগণের অবগতির জন্য বলছি, হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই পবিত্র জীবন সঙ্গিনীর নামেই আমাদের আম্মাজানের নামটি।
‎নামের সাথে আখলাকেরও কী অপূর্ব মিল! বিয়ের পর আম্মাজানের শ্বশুর কাজী সাহেব হুযুর রাহ.-এর আব্বা, হুযুরকে বলেছিলেন তোমার জন্য আমি হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র জীবন সঙ্গিনীর নামের গুণবতী জীবন সঙ্গিনী এনেছি। আমরাও কাজী সাহেব হুযুর রাহ.-এর থেকে বারবার এ কথা শুনেছি যে, আমার দ্বীনের খেদমতের ক্ষেত্রে তোমাদের আম্মাজানের অবদান অনস্বীকার্য। পিতার অঢেল ধন-সম্পদ স্বামীর হাতে দ্বীনের পথে ব্যয় করেছেন। দ্বীনের খেদমতে স্বামীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন। আজ আমার অন্তিমকালে তাদেরকে অসহায় অবস্থায় রেখে যাচ্ছি। মহান আল্লাহর হাতে সোপর্দ করে গেলাম। )
সাক্ষাৎকার গ্রহণ :
আব্দুল হালীম
মাসিক আল কাউসার থেকে নেওয়া।
লেখাটি অনেক লম্বা । আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই লেখাটিতে উঠে এসেছে ইনশাআল্লাহ আস্তে আস্তে পুরা লেখাটি পোস্ট করব।

চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করার উপায়

চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করার উপায়

ঘুম থেকে উঠেছেন। ওঠা মাত্রই চশমা খোঁজা শুরু। চশমা ছাড়া চলাটাই দায়। চশমা ছাড়া নিজেকে অক্ষম মনে হয়। ঘড়ির টাইম দেখতে গেলেও চশমা লাগে। পত্রিকা পড়তে গেলেও চশমা ছাড়া পড়তে পারেন না। চশমা ছাড়া একটা মুহূর্তও চলে না।

এরকমটা কিন্তু ছিল না। ছোটবেলা ভালই দেখতে পেতেন। কিন্তু বড় হওয়ার পর ধীরে ধীরে চোখের জ্যোতি জানি কেমন কমে গেছে! যখন এটা উপলব্ধি করতে পেরেছেন তখনই ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েছেন। ডাক্তার পরীক্ষা টরীক্ষা করে আপনাকে একটা চশমা দিয়ে দিল। ব্যাস, আপনিও সেই চশমাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়লেন। এখন চশমা ছাড়া আর চলতেও পারেন না।

চোখের জ্যোতির সমস্যার সম্মুখীন অনেকেই হয়ে থাকে। অনেকেই কাছের জিনিস দেখতে পারে না। আবার অনেকে দূরের জিনিস দেখতে পারে না। কিন্তু সে ছোটবেলা ভালই দেখতে পেত। কিন্তু বড় হওয়ার পর ধীরে ধীরে তার চোখের জ্যোতি লোপ পায়। এজন্য সে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে চশমা ব্যবহার করতে শুরু করে। আর সেই চশমা ছাড়া সে চলতেই পারে না। কারণ তার জ্যোতি কমে গেছে।

অনেকেই চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করার জন্য বিভিন্ন ওষুধ খেয়ে থাকে। আবার অনেকে বিভিন্ন ড্রপ ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু এই এ ড্রপ ব্যবহারে খুব বেশি একটা ফলপ্রসূ হয় না। তখন ওই ব্যক্তি টা খুবই চিন্তিত হয়ে যায়। আর মনে করে হয়তো তার চোখের জ্যোতি আর ঠিক হবে না!
আরে চিন্তা কিসের! ড্রপ কাজ করেনি তো কী হয়েছে? চোখের ব্যাপারে রাসুল (সাঃ)এর ট্রিটমেন্ট ফলো করে চোখের জ্যোতি বাড়িয়ে নিন। আসুন, হাদীসের আলোকে জেনে নিই চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করার উপায়…..

রাসুল (সাঃ) বলেছেন, তোমরা শোয়ার সময় ইসমিদ সুরমা ব্যবহার করবে; কেননা তা চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে এবং এর ফলে অধিক ভ্রু জন্মায়। (ইবনে মাজাহ- ৩৪৯৬)

এ প্রসঙ্গে আরেকটি হাদীস রয়েছে—জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃআমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা ঘুমানোর সময় অবশ্যই ইসমিদ সুরমা ব্যবহার করবে। কেননা তা দৃষ্টিশক্তিকে প্রখর করে এবং চোখের পাতায় লোম গজায়।(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৩৪৯৬)

এই হাদিসগুলো দ্বারা সুস্পষ্টভাবে জানা যায়—চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করতে ইসমিদ সুরমা অধিক কার্যকরী। তাই যাদের চোখে সমস্যা রয়েছে, যারা চোখে কম দেখেন তারা রাসুল (সাঃ) এর এই ট্রিটমেন্ট ফলো করতে পারেন। ইনশা’আল্লাহ এতে চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি পাবে। চশমা ব্যবহার করা কমে যাবে।

ইসমিদ সুরমা— এটা সুরমার একটা প্রকার। সুরমাও কয়েক ধরনের রয়েছে। তন্মধ্যে ইসমিদ একটা প্রকার। তাই চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করতে ইসমিদ সুরমাটা ব্যবহার করতে হবে। যারা সুরমা বিক্রি করে তাদের কাছে ইসমিদ সুরমার কথা বললেই হবে। এটা কোথায় পাবেন? এটা যে কোনো দোকানে পাওয়া যায়। বিশেষ করে যারা আতর,গোলাপ, তাসবিহ, টুপি, মেসওয়াক ইত্যাদি বিক্রি করে তাদের কাছে পাবেন।

বি: দ্র: অসুস্থ চোখে এটা ব্যবহার করা যাবে না। শুধুমাত্র যাদের চোখে জ্যোতি কম তারা এটা ব্যবহার করে চোখ পরিষ্কার করে জ্যোতি বাড়িয়ে নিতে পারেন।ইনশা’আল্লাহ ভালো ফল পাবেন।